/ অনুভবে আজও তুমি
পর্ব- ২০ – মিহু মাথা নিচু করে মেহেরের বরাবর বসে আছে। মেহের বোনের দিকে গালে হাত দিয়ে এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছে। হাতে একটা লাঠি। অনেক কষ্টে খোঁজে বের করেছে এই বিস্তারিত...
পর্ব-১৭ – সন্ধ্যা বেলায় ফায়াজের ঘুম ভাংলো। ফায়াজ বুকের উপর ভারী কিছু অনুভব করছে। সাথে গরম তরল জাতীয় কিছু। ফায়াজ পিটপিট করে চোখ মেলে তাকালো। ওর বুকের উপর মেহেরকে দেখতে
পর্ব-১৬ – ফায়াজ সকাল ৭টায় এয়ার্পোরটের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। মেহেরকে ছোট্ট করে একটা মেসেজ করে প্লেনে উঠে পড়ে। দীর্ঘ সময় জার্নি করে লন্ডনের বাসায় পৌছায়। ফায়াজ ফ্রেশ হয়ে খেয়ে-দেয়ে মম,
পর্ব-১৪ – এভাবেই কেটে যায় আরো এক মাস। ফায়াজের প্রতি মেহেরের অনুভুতি গুলো গভীর থেকে গভীরতর হচ্ছে। ফায়াজ মেহেরের অনুভুতিগুলো অনুভব করতে পারলেও মেহেরকে সেসব নিয়ে কিছু বলেনা। ফায়াজ চায়
পর্ব-২১ – এমন শব্দে মেহেরের কলিজা কেপে উঠলো। ওর মনে ভয় হচ্ছে ফায়াজ ভাংচুর করছেনা তো। উফফ, এই ছেলেটা কি শুধু ভাংতেই পারে?? পর্বটির ভিডিও দেখতে ক্লিক করুন মেহের বিছানা
পর্ব-২২ – মেহের ফ্রেশ হয়ে ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে তোয়ালে দিয়ে হাত মুখ মুছতে মুছতে বারান্দায় যায়। বারান্দা অন্ধকার। বারান্দার ভিতরে পা রাখতেই আচমকা বিশ্রী ধোঁয়া ওর নাক মুখে প্রবেশ
অন্তিম পর্ব – মেহেরের শ্বশুর-শাশুড়ী, ননদ লন্ডন থেকে ফিরেছে। শ্বশুর-শাশুড়ী মেহেরের জন্য স্বর্ন, রত্ন, ডায়মন্ডের অলংকার আর বিভিন্ন উপহার সামগ্রী নিয়ে এসেছে। তাদের খুশি দেখে কে। ফাইজা তো বকবক করতে
পর্ব-৩০  – মেহেরের আব্বু-আম্মু এসেছে। মেহের আগেই জানতো তারা আসবেন। মিহুকে বিদায় দেওয়ার পর পরই তারা এসেছেন। মেহেরের বাবা মেহেরের রুমে মেহের আর ফায়াজের সামনে বসে আছেন। কিছুক্ষণ ইতস্তত করে